Skip to content

ঘরোয়া উপায়ে আম সংরক্ষণ

জন্মস্থান নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্ক থাকলেও ভারতীয় উপমহাদেশীয় ফলগুলোর মধ্যে আমের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। ছোট থেকে বড় সকলের পছন্দের তালিকায় রয়েছে কোন না কোন আমের স্থান। এজন্যই একে দেওয়া হয়েছে রাজার আসন। চলছে আমের ভরা মৌসুম। বাজারে ইতোমধ্যে ল্যাংড়া, ফজলি, হিমসাগর, আম্রপালি, হাঁড়িভাঙ্গাসহ নানা জাতের আম পাওয়া যাচ্ছে।

অঞ্চলভেদে আরো অগণিত আকর্ষণীয় নামের আমের প্রাচুর্যতা বর্তমান-যেগুলো স্বাদে, গন্ধে, আকারে ও বর্ণে একে অপরের থেকে বিস্তর আলাদা। সারা বছর এ সকল আমের স্বাদ গ্রহণ করার সাধ কারই বা না হয়। কিছু সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করলেই দীর্ঘদিন পর্যন্ত গুণে মানে অপরিবর্তিত থাকে এ সকল আম। অন্যদিকে সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন না করলে ভালো মানের আম কেনার পরও কয়েকদিনেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে সাধের আম গুলো।

আম সংরক্ষণের সহজ কিছু উপায়

  • বাজার থেকে আম কিনে আনার পর অথবা কুরিয়ার সার্ভিস থেকে আম নিয়ে আসার পর যত দ্রুত সম্ভব প্যাকেট/বক্স থেকে আম গুলো বের করে নিতে হবে। মেঝেতে পেপার অথবা চটের বস্তার উপর ফ্যানের বাতাসের নিচে আমগুলো মেলে রাখতে হবে।
  • নাড়াচাড়া অথবা স্থানান্তর করার সময় আমগুলো যেনো আঘাতপ্রাপ্ত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ আঘাতপ্রাপ্ত জায়গা থেকেই পরবর্তীকালে আমে পঁচন ধরে নষ্ট হয়।
Greeniculture Mango
Greeniculture Mango
  • ঘরে সাধারণ তাপমাত্রায় ছায়াযুক্ত ঠান্ডা স্থানে অর্থাৎ রোদ পড়ে না এমন স্থানে আম সংরক্ষণ করতে হবে।
  • ফ্রিজে আস্ত আম সংরক্ষণের ক্ষেত্রে প্রতিটা আম খবরের কাগজে মুড়ে কাগজের ব্যাগে ঢুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে।
  • কিছুদিন পর পর (৭-১০ দিন) ফ্রিজ থেকে আমগুলো বের করে দেখতে হবে কোথাও কালো হয়ে গেছে কিনা। খবরের কাগজ পরিবর্তন করে আবার নতুন কাগজ দিয়ে মুড়িয়ে রাখতে হবে।
  • ৬-৮ মাস ধরে আম সংরক্ষণের ক্ষেত্রে পাকা আমের খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরা করে, বাতাস ঢুকতে পারবে না এমন পলিব্যাগে অথবা জিপলক ব্যাগে করে ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে।
  • সারা বছর সংরক্ষণের জন্য আমের খোসা ও আঁটি আলাদা করে বাকি অংশ টুকু ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে বক্স,বোতল অথবা আইসবক্সে ভরে ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে। সারা বছর যেকোন সময় প্রয়োজন মতো বের করে লাচ্ছি, ফালুদা, ডেজার্ট ইত্যাদিতে ব্যবহার করা যাবে।

Author: Falguny Zaman

Leave a Reply